Showing posts with label Health tips. Show all posts
Showing posts with label Health tips. Show all posts

Tuesday, April 14, 2020

খালি পেটে ২ কোয়া রসুন খান যেসব রোগ আপনার  হবে না। রসুনের উপকারীতা।

খালি পেটে ২ কোয়া রসুন খান যেসব রোগ আপনার হবে না। রসুনের উপকারীতা।

খালি পেটে ২ কোয়া রসুন খান যেসব রোগ  আপনার  হবে না। রসুনের উপকারীতা।


 রসুন এর প্রাকৃতিক গুনাগুন এবং উপকারীতা। রসুন আমরা সবাই চিনি কারন এটি আমরা দৈনন্দিন তরকারির সাথে খেয়ে থাকি। আপনি কি জানেন প্রতিদিন খালি পেটে মাত্র ২কোয়া রসুন আপনাকে কত গুলো রোগ থেকে রক্ষা করতে পারে। এই রসুন এ রয়েছে ৩০টির ও বেসি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। একজন সুস্থ্য মানুষ যদি প্রতিদিন খালি পেটে ২কোয়া রসুন খান তাহলে তার যে উপকার গুলো হবে তা উল্লেখ করা হলো।

   রসুনের উপকারীতা সমুহ


     প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে ২কোয়া কাঁচা রসুন খেলে শারীরিক সক্তি বৃদ্ধি পায় শরীরের শক্তি ক্ষমতা দীর্ঘ স্থায়ি হয় । যারা পড়ন্ত যৌবনে চলে গিয়েছেন, তারা প্রতিদিন দু’কোয়া রসুন খাঁটি গাওয়া ঘি-এ ভেজে মাখন মাখিয়ে খেতে পারেন। তবে খাওয়ার শেষে একটু গরম পানি বা দুধ খাওয়া আরো বেসি উপকারিতা। এতে তারাতারি ভাল ফল পাওয়া যাবে। যৌবন রক্ষার জন্য রসুন অন্যভাবেও খাওয়া যায়। কাঁচা আমলকির রসদুই বা এক চামচ নিয়ে তার সাথে এক বা দুই কোয়া রসুন বাটা খাওয়া যায়। এতে স্ত্রী-পুরুষ উভয়ের যৌবন দীর্ঘস্থায়ী হয়। 

    উচ্চ রক্তচাপ এ রসুনের উপকারীতা সমুহ

     উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রসুন বিশেষ ভুমিকা পালন করে। অসংখ্য মানুষ যারা উচ্চ রক্তচাপে ভুগেন। গবেষণায় দেখা গেছে, রসুন খাওয়ার ফলে উচ্চ রক্তচাপের কিছু উপসর্গ ভাল দেখা যায়।

    পরিপাকতন্তের ও গ্যাসটিক এ রসুনের উপকারীতা

     আপনার যদি পেটে পরিপাকতন্তের বা গ্যাসটিক সমস্যা থাকে তাহলে রসুন পারে সুস্থ করতে। খালি পেটে রসুন খাওয়ার ফলে যকৃত এবং মূত্রাশয় সঠিকভাবে নিজ নিজ কার্য সম্পাদন করে। এছাড়াও, এর ফলে পেটের বিভিন্ন সমস্যা দূর হয় যেমন- ডায়রিয়া। এই রসুন হজম ও ক্ষুধার উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে।তাই এই রসুন ক্ষুদামদা ভাব দূর করতে অনেক সহায়ক।রসুন স্ট্রেস দূর করতেও সক্ষম। স্ট্রেস বা চাপের কারনে আমাদের গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই, খালি পেটে রসুন খেলে এটি আমাদের অনেক উপকার করে।

    হজম শক্তি বৃদ্ধিতে রসুন এর উপকারীতা সমুহ

     হজম শক্তি বৃদ্ধিতে রসুন অনেক উপকারী। ২/৩ টি রসুনের কোয়া কুচি করে সামান্য ঘিয়ে ভেজে নিন। এটি সবজির সাথে কিংবা এমনি খাওয়ার অভ্যাস করুন। এতে করে হজমের নানা সমস্যা থেকে দূরে থাকবেন।এবং কোস্টকাঠিন্যের সমস্যা ও সমাধান হবে।

    ব্রণ দুর করতে রসুন এর উপকারীতা সমুহ


     . ব্রন সমস্যা দুর করতে রসুন অনেক উপকারী রসুনের মধ্যে অনেক গুন আছে।এটি ব্রনের সমস্যায় অনেক সহায়ক হিসেবে কাজ করে। অনেক সময় শরীরে আঁচিল হয়ে থাকে, এই রসুনের রস আচিলের ক্ষেত্রে উপকার করে।

    রক্ত পরিষ্কার রাখতে রসুন খাওয়ার উপকারীতা সমুহ

      রক্ত পরিষ্কার রাখতে প্রতিদিন ২কোয়া রসুন খাওয়া অনেক উপকারী কারন এই রসুন এ অনেক উপকারী গুনাগুন রয়েছে।

    ক্যানসার প্রতিরোধ এ রসুন খাওয়ার  উপকারীতা সমুহ

     ক্যানসার প্রতিরোধে রসুন অনেক উপকারী। রসুন কোলন ক্যানসার প্রতিরোধ করে থাকে। গলব্লাডার ক্যানসার হওয়া থেকে রক্ষা করে। মেয়েদের স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। এমনকি রেক্টাল ক্যানসারের হাত থেকে রক্ষা করে। রসুন প্রোস্টেট ক্যানসার প্রতিরোধে অনেক বড় ভূমিকা পালন করে। এই রসুন ইস্ট ইনফেকশন দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়া নিয়মিত রসুন সেবনে শরীরে সব ধরনের ক্যানসার প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি করে।  
    কিভাবে জিম শুরু করবেন। প্রথম দিকে যে বিষয় গুলো খেয়াল রাখতে হবে

    কিভাবে জিম শুরু করবেন। প্রথম দিকে যে বিষয় গুলো খেয়াল রাখতে হবে

    কিভাবে জিম শুরু করবেন। প্রথম দিকে যে বিষয় গুলো খেয়াল রাখতে হবে।



       শরীরকে সুস্থ্য রাখার জন্য  জিম করা প্রয়োজন। জিম হল ব্যায়াম। আর ব্যায়ামের প্রচুর উপকারিতা রয়েছে। একজন মানুষ যদি প্রতিদিন ব্যায়াম করে তাহলে তার শরীর মন ২টাই ভালো থাকে সাথে শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়ে পড়বে সাতে পেশিবহুল হবে। তবে তা হতে হবে সঠিক নিয়মে। অন্যথায় উপকার না হয়ে ক্ষতি হওয়ারও সম্ভাবনা ও থাকতে পারে। প্রথম জিমে ভর্তি হয়ে যে বিষয় গুলো ভালোভাবে জানতে হবে। জিমের যন্ত্রপাতির সঠিক ব্যবহার ও পাশাপাশি কিছু নিয়ম কানুন মেনে জিম করতে হবে। তবেই কেবলমাত্র এ থেকে সুফল আসবে। তাই মেনে চলুন

      জিম করার নিয়ম কানুন- 

       ১. জিমে ভর্তি হওয়ার আগে খোঁজ খবর নিয়ে ভেবে নিন কোন জিম সেন্টারে আপনি ভর্তি হতে পারবেন। আপনার বাসার কাছাকাছি কোন ভালো জিম সেন্টার থাকলে সেখানেই ভর্তি হতে পারেন এতে আপনার টাইম ম্যানেজমেন্টে ও যাতায়াতে সুবিধা হবে।

       ২. প্রথমেই জিমের ফিটনেস ট্রেনারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আপনি কি ধরনের ফিটনেস তৈরি করতে চান তা ট্রেনারের সাথে খোলাখুলি ভাবে আলোচনা করে নিন। জিম করার জন্য কতটা সময় আপনি বরাদ্দ রেখেছেন, কোন সময়টা আপনার জন্য উপযোগী, কোন শারীরিক অসুস্থতা আছে কিনা সেই সমস্ত বিষয় নিয়ে ফিটনেস এক্সপার্টের সঙ্গে কথা বলে আপনার ফিটনেস পরিকল্পনা তৈরি করুন।

       ৩. জিমে ভর্তি হওয়ার পর প্রথম কয়েক সপ্তাহ ফিটনেস এক্সপার্টের উপস্থিতিতে ফিটনেস ইকুইপমেন্ট গুলো ব্যবহার করুন। কোন ফিটনেস ইকুইপমেন্ট ব্যবহার করতে অসুবিধা হলে সেই ইকুইপমেন্টটি ব্যবহারের নিয়মকানুন সম্পর্কে ভালো করে জেনে নিন। প্রয়োজনে ফিটনেস এক্সপার্টের সাহায্য নিন।

       ৪. জিম করার সময় অবশ্যই জিমের উপযোগী পোশাক এবং ফিটনেস জুতা ব্যবহার করবেন। এছাড়াও অন্যান্য সুবিধার জন্য একটি ফিটনেস ব্যাগ সবসময় নিজের কাছে রাখতে পারেন। আর এতে তোয়ালে, পানির বোতল ইত্যাদি প্রয়োজনীয় জিনিস গুলো রাখতে পারেন।

       ৫. জিম করার প্রাথমিক পর্যায়ে প্রতিদিন ঘন্টা খানেক সময় জিম করুন এবং তা আস্তে আস্তে বাড়ান। প্রথম দিকে ২ থেকে ৩ ঘন্টা করে ব্যায়াম করলে শরীরের উপর চাপ পড়তে পারে।

       ৬. প্রথম মাসে জিম করার জন্য আধ ঘন্টা বরাদ্ধ রাখলে হাতে মোট ১ ঘন্টা সময় রাখুন। জিমের সময় সকাল বা বিকালে নির্বাচন করুন। সকালে বা বিকালে জিম করার জন্য প্রস্তুতি নিতে বেশ কিছু দিন সময় লাগবে। মনোযোগ দিয়ে জিমের যন্ত্রপাতির ব্যবহার শেখার চেষ্টা করুন। জিম শেষ করার পর অন্তত ১৫ মিনিট বিশ্রাম করুন।

       ৭. প্রাথমিক পর্যায়ে জিম থেকে ফিরেই কাজে বেরনোর জন্য তাড়াহুড়ো করবেন না। নিজের শরীরের জন্য উপযোগী পরিমান খাবার খেয়ে একটু রেস্ট নিয়ে অফিস কিংবা অন্য কোন কাজে বের হবেন। ঘরে এবং বাইরে অতিরিক্ত কাজের চাপ থাকলে সপ্তাহে ৩ দিন জিম করতে যেতে পারেন। বাকি দিন গুলো বাসাতেই ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ করতে পারেন।

       ৮. জিমে ভর্তি হওয়ার প্রাথমিক পর্যায়ে কিছুটা সময় ব্যয় করতেও অসুবিধা হতে পারে। কিন্তু জিমে ভর্তি হয়ে কখনোই হঠাৎ করে জিমে যাওয়া বন্ধ করবেন না। কয়েকমাস জিম করার পর অভ্যাস হয়ে গেলে ফিটনেসের জন্য প্রতিদিন কিছুটা সময় ব্যয় করতে কোন অসুবিধা হবে না।

       ৯.নিজের উপর আত্মাবিশ্বাস রাখুন এমন না যে জিমে যাওয়া শুরু করলেন আর বডি ফিটনেস হবে। নিয়মিন জিম করুন ধিরে ধিরে বডি ফিটনেস হতে শুরু করবে।

       ১০. পুষ্টি সম্মত খাবার খান যেসব খাবার এ পুষ্টি নেই সে সব খাবার এড়িয়ে চলুন। নিজের কোনো বদ অভ্যাস থাকলে তা এড়িয়ে চলুন সব সময় হাসিখুশি থাকুন কারন হাসিখুশি থাকাটাও শরীরকে ফিটনেস রাখতে সাহায্য করে।