Latest Posts

Friday, May 29, 2020

Facebook webmaster tool এ Unblock Domain এড করুন কখনো ডোমেইন ব্লক হবে না।

Facebook webmaster tool এ Unblock Domain এড করুন কখনো ডোমেইন ব্লক হবে না।

Facebook webmaster tool এ Unblock Domain এড করুন কখনো ডোমেইন ব্লক হবে না।


unblock domain

আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা আশা করি ভালো আছেন। ফেসবুক ওয়েবমাস্টার টুল এ unblock domain কিভাবে এড করবেন এই পোস্ট এ পুরো বিষয় দেখানো হবে। ফেসবুক ওয়েবমাস্টার টুল ট সাইট লিংক এড করলে পরবর্তীতে কখনো আপনার সাইট লিংক ফেসবুক টিম ব্লক করবে না। কারন ডোমেইনটি তাদের চেনা থাকবে তাদের সিস্টেম এ ভেরিফাই করা থাকবে। তাই সবার উচিত ফেসবুক ওয়েবমাস্টার টুল এ নিজেদের ওয়েবসাইট এড করা। ফেসবুক ওয়েবমাস্টার টুল এ সাইট এড করলে ২টি সুবিধা পাবেন সুবিধা ১. ফেসবুক এড মেনেজার থেকে লিংক এড এ আপনার ওয়েবসাইট এড চালু করতে পারবেন।সুবিধা ২. ফেসবুক এ কখনো আপনার সাইট লিংক ব্লক হবে না কারন তাদের সিস্টেম এ Unblock Domain ভেরিফাই করা থাকবে। তো চলুন দেখে নিন কিভাবে আপনার সাইট ফেসবুক ওয়েবমাস্টার টুল এ Unblock domain এড করবেন।


 1.এই লিংক এ ক্লিক করুন Developers Facebook তারপর পেজ ওপেন হলে আপনার ফেসবুক একাউন্ট লগইন করুন তারপর More option এ ক্লিক করে Tool এ ক্লিক করুন।

unblock domain

2. Devloper tools ওপেন হলে shareing Debugger এ ক্লিক করুন। 
unblock domain

 3. এবার Webmaster এ ক্লিক করুন।
unblock domain

 4. এবার add domain a ক্লিক করুন 
unblock domain

(বিদ্রঃ আগে থেকে একটা সাইট আমার এড আছে। নতুন অবস্থায় অন্য রকম দেখাতে পারে বাট সব নিয়ম একই

 5. আপনার সাইট (হোস্ট www.) ছাড়া সুধু domain নামটি দিন। তারপর add domain এ ক্লিক করুন।
unblock domain

 6. এবার ডোমেইনটি ভেরিফাই করতে বলবে DNS verify এ ক্লিক করুন। তারপর txt Record টি সম্পুর্ন কপি করুন।
unblock domain

 7. এবার আপনি যে ডোমেইন কোম্পানির কাছে ডোমেইন কিনেছেন সেই ডোমেইন কন্ট্রোল প্যানেল এ যান তারপর DNS সেটিং এ গিয়ে Txt record add করে সেভ করুন। 
unblock domain

 8. ২/৮ ঘন্টা পর আবার Facebook Devloper এ গিয়ে DNS Verify এ ক্লিক করলে আপনার ডোমেইনটি ফেসবুক সিস্টেম এ ভেরিফাই হয়ে যাবে। 

একদম সহজ কাজ আশা করি unblock domain কিভাবে এড করে আপনার ডোমেইন ফেসবুকে ব্লকের হাত থেকে রক্ষা করবেন বুজতে পেরেছি ধন্যবাদ। 

Monday, May 18, 2020

How To Create Table Of Content Post In Blogger Bangla Tutorial

How To Create Table Of Content Post In Blogger Bangla Tutorial

How To Create Table Of Content Post In Blogger Bangla Tutorial


    table of content

     হাই বন্ধুরা আজ আমরা আলোচনা করবো table of content post বিষয়। এই পোস্ট এ আপনারা জানতে পারবেন Table of content post কি? user friendly post কি? Table of content দিয়ে কিভাবে পোস্ট র‍্যাঙ্ক করে? কিভাবে automatic Table of content Blogger এ setup করবেন? এসব বিষয় আজ জানতে পারবেন এবং শিখতে পারবেন। একটা আর্টিকেল কে সুন্দর ভাবে সাজাতে ট্যাবল অফ কন্টেন্ট তৈরি করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারন আমরা চাই একজন ভিজিটর যেন আমাদের আর্টিকেল ভালোভাবে পড়তে পারে বুজতে পারে সেই বিষয় আমরা দিনরাত কাজ করে যায়। ভিজিটরকে খুশি করাতে পারলে আপনার জীবন সার্থক। তাহলে চলুন কিভাবে ট্যাবল অফ কন্টেন্ট তৈরি করবেন step by step সব কিছু জানি এবং শিখি।

     Table of content কি? 

     Table of content হলো আপনি একটা পোস্ট এ যত গুলো Heading Title ব্যবহার করবেন সব গুলো পোস্ট এর শুরুতে প্রশ্ন আকারে দেখা যাবে যেমন আপনি আমার পোস্ট এ দেখছেন। একজন ভিজিটর যখন আপনার সাইট এ পোস্টটি পড়ার জন্য আসবে তখন সে এক নজর এ দেখতে পারবে পোস্ট এ কি কি information আছে। ভিজিটর table of content এর যে Title এ ক্লিক করবে অটোমেটিক সেই টাইটেল এ চলে আসবে এতে করে ইউজার এর অনেক সুবিধা হবে। 

    How to Table Of content 

    এক কথায় table of content হলো আপনি আপনার পোস্ট এ যতগুলো Heading Title ব্যবহার করবেন সব পোস্ট এর শুরুতে ভিজিটর দেখতে সক্ষম হবে। আশা করি বুজতে পেরেছেন।

     Create Post Table of content Blogger Step by step 


     wardpress এ table of content খুব সহজে plaguin instoll করে তৈরি করা যায় কিন্তু blogger এ কোনো plagin add option নাই তাই আমরা কোডিং এর মাধ্যমে এই কাজ করবো ভালো ভাবো আমাদের কমান্ড ফলো করুন। 

     1. আপনার blogger Dasbord>themeplet>Edit এ ক্লিক করুন 
    table of content post

     2. এই কোডটি ]]> </b:skin> সার্চ দিয়ে খুজে বের করে কোডের উপরে html text box এ দেয়া কোড গুলো দিয়ে theme save করুন। 


     বিদ্রঃ এই কোডটি সুধু একবার theme এ সেভ দিলে পরবর্তীতে আর কখনো সেভ করা লাগবে না 

    3.এখন যে পোস্ট এ table of content এড করতে চান সেই পোস্ট এ গিয়ে edit post>html এ ক্লিক করুন তারপর পোস্ট এর Html page a fast heading title খুজে বের করে title close tag এর পর এই কোডটি পেস্ট করে সেভ করুন।
    "  বিদ্রঃ যতগুলো পোস্ট এ table content add করবেন সব গুলোতে এই কোডটি fast heading title close tag এর পর বসাতে হবে

     5. এবার আবার post html এ গিয়ে পোস্ট এর সব শেষে এই কোর্ডটি দিয়ে save করুন

     বিদ্রঃ যতগুলো পোস্ট এ table content add করবেন সব গুলোতে এই কোডটি দিতে হবে।

     এবার পোস্ট পাবলিশ করে দেখুন আপনার table of content post a add হয়েছে।
    বিদ্রঃ সব কাজ সঠিক ভাবে করতে হবে। 

     user friendly Post কি?

     user Friendly post হলো আপনার পোস্ট যেন ভালোভাবে সাজানো গুছানো থাকে। একজন ভিজিটর আপনার পোস্ট যেন ভালো ভাবে বুজতে পারে সঠিক information পায়। user friendly post তৈরি করতে table content তৈরি করতে হবে।table content যুক্ত করলে একজন user সহজে বুজতে পারে পোস্ট এ কত গুলো হেডিং আছে এবং কোন কোন বিষয় লেখা আছে user সহজে Heading Title এ ক্লিক করে আর্টিকেল পড়ার সুবিধা পাবে এটাই user friendly post.

     Table of content SEO তে গুরুত্বপূর্ণ 

     table of content SEO (Search engine Optimization) এ অনেক বড় ভুমিকা পালন করে। table of content heading title google search এ ফাস্ট পেজ এ খুব সহজে র‍্যাঙ্ক করে। একটু লক্ষ্য করলে দেখবেন বড় বড় ব্লগাররা কিন্তু table of content ব্যবহার করে। ধন্যবাদ সবাইকে   

    Friday, May 1, 2020

    Indexed, though blocked by robots.txt, coverage issues fix.

    Indexed, though blocked by robots.txt, coverage issues fix.

    Indexed, though blocked by robots.txt Search console coverage issues fix.



       হ্যালো বন্ধুরা আশা করি ভালো আছেন। আমরা যারা blogging করি। আমাদের যাদের ওয়েবসাইট আছেন।আমরা আমাদের ওয়েবসাইট লিংক Google Search console এ সাবমিট করার কয়েকদিন পর Search console Team আমাদের Indexed, though blocked by robots.txt এই মেইল টি পাঠান এবং search console এ coverage এ ওয়েবসাইট Label এবং categories error দেখায়। search console coverage issues error দেখার কারন হলো আমরা যখন ১টা পোস্ট এ ২টা লেবেল এড করি তখন search console মনে করে আমরা একই পোস্ট ২ জায়গায় করেছি। যেটাকে Dublicte content বলে। এর সমাধান হলো। আমরা যদি Lable এবং categories index না করিয়ে সুধু পোস্ট index করাই তাহলে এই সমস্যা সমাধান হবে।তো চলুন দেখি কিভাবে করবেন।

       Indexed, though blocked by robots.txt problem Fix, 

       ১.আপনার blogger Dasbord এ গিয়ে Setting > searcy preference ক্লিক করুন। তারপর custom Robots.txt, edit এ ক্লিক করুন। এবার এই কোডটি কপি করে পেস্ট করুন।
       User-agent: * Disallow: /search Disallow: /category/ Disallow: /tag/ Allow: / Sitemap: your domaim name/atom.xml?redirect=false&start-index=1&max-results=500
        নোটঃ your domain name এর জায়গায় আপনার ডোমেইন নাম দিয়ে Save change এ ক্লিক করুন।

       ২. এবার custom robots header tag edit এ ক্লিক করুন। নোটঃ Home page [ All এবং noodp] Archive and Search pages: [ noindex এবং noodp] Default for Posts and Pages:[all এবং noodp ] তে টিকচিহ্ন দিয়ে save change এ ক্লিক করুন।

       ৩. এবার আপনার search console account এ গিয়ে coverage অফশন এ গিয়ে Fix coverage এ ক্লিক করুন সব গুলো pending এ যাবে এবং ১মাসের মধ্যে সব গুলো secsesfull হবে। ধন্যবাদ। 

      Thursday, April 30, 2020

      ON Page SEO এবং OF Page SEO কি? White hat, Black Hat, Grey Hat SEO কি?

      ON Page SEO এবং OF Page SEO কি? White hat, Black Hat, Grey Hat SEO কি?


      ON Page SEO এবং OF Page SEO কি? White hat, Black Hat, Grey Hat SEO কি?


        seo_tutorial_bangla

         হ্যালো বন্ধুরা আশা করি ভালো আছেন। আজ আমরা আলোচনা করবো ON Page SEO কি, এবং OF Page SEO কি, White hat Black hat grey hat কি, SEO হলো কোনো একটা নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড দিয়ে কোনো ওয়েবসাইট কে গুগোল এর ফাস্ট সার্চ রেজাল্ট পেজ এ নিয়ে আসাকে SEO ব
        লে। সংক্ষিপ্তে বলতে গেলে ON Page SEO হলো আমরা নিজের ওয়েবসাইট এর ভিতর যে কাজ গুলো করে থাকি সেগুলো ON Page SEO, OF Page SEO হলো আমরা আমাদের ওয়েবসাইট এর বাইরে যেসব কাজ করি সেগুলো হলো OF Page SEO , এখন বলতে পারেন, আমরা ওয়েবসাইট এর বাইরে কি কাজ করবো,সেটা নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। এখন White hat কি? উদাহরন বলতে গেলে white hat হলো একজন সুনাগরিক যে সব সময় দেশের সব আইন কানুন মানে এবং ভালো কাজ করে। Block Hat হলো একজন কুনাগরিক যে কোনোদিন দেশের কোনো আইন মানে না। Grey hat হলো একজন সুনাগরিক কিন্তু মাজে মধ্যে লোকের আড়ালে একটু এদিক ওদিক করে কিন্তু কেউ ধরতে পারে না। তো বন্ধুরা এতক্ষণ আমরা On page seo of page seo এবং white hat black hat এবং grey hat সমন্ধে সংক্ষিপ্ত জানলাম এবার নিচে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

         ON Page SEO কি? 

        On_page_seo

         On Page Seo হলো আমাদের ওয়েবসাইট এর গন্ডির ভিতর যত কাজ করবো সব On Page Seo সেটা হতে পারে ওয়েবসাইট ডিজাইন content লেখা meta tag robot tag ইত্যাদি। উদাহরণ আমি যদি একটা কোচিং সেন্টার খুলি তাহলে রুমের মধ্যে টেবিল চেয়ার কম্পিউটার এসি ইত্যাদি সব রুমের মধ্যে সঠিক সাজানোটাই হলো On page Seo আমার কোচিং সেন্টার এর content মানে teacher থেকে শুরু করে সব কিছু যদি ঠিক হয়ে থাকে তাহলে আমার কোচিং সেন্টার এর সুনাম কিন্তু তারাতারি ছড়িয়ে পড়বে এতক্ষণ আমি যে সব কাজ করলাম সব ক্লাসের ভিতরের কাজ এটাই হলে on page seo, আশা করি on page seo কি সেটা বুজতে পারছেন।

         OF Page SEO কি? 

        of_page_seo

         OF Page SEO হলো আমাদের ওয়েবসাইট এর বাইরে যেসব কাজ করবো সব OF Page Seo, of page seo সংক্ষিপ্তে বলতে গেলে নিজের ঢোল নিজে পিটিয়ে প্রচার করা। আমি যে একটি কোচিং সেন্টার দিলাম সব রুমের ভিতরে করলাম বাইরের লোক তো জানে না বাইরের লোক কে জানানোর জন্য বাইরে অবশ্যই বেনার টাঙাতে হবে। যেসব জায়গায় লোক সংখ্যা বেশি যাতায়াত করে সেখানে পোস্টার লাগাতে হবে তাহলে তো লোকে জানবে যে অমুক জায়গায় একটা কোচিং সেন্টার আছে গিয়ে দেখে আসি। এই যে আপনার পোস্টার দেখে লোক চলে আসলো এটাই OF page SEO বা Backlink বলে থাকি। আপনার ওয়েবসাইট রিলেটেড যত ওয়েবসাইট আছে যেখানে অনেক ভিজিটর আসে সেসব সাইট এ সাথে যদি আপনার সাইট এর backlink তৈরি করে আসেন তাহলে ১০০ জন ভিজিটর এর মধ্যে ২৫ জন চাইবে আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করে দেখতে এবং আপনার যখন অনেক backlink হবে তখন গুগোল সব জায়গায় আপনার সাইট লিংক দেখতে পেয়ে আপনার সাইট কে সার্চ র‍্যাংকিং এ আনবে। OF page SEO এভাবে কাজ করে OF Page SEO কি আশা করি বুজতে পেরেছেন।

         White Hat Seo কি? 

        white_hat_seo

         White Hat SEO হলো Google এর সব নিয়ম মেনে Seo করাকে White Hat SEO বলে। উদাহরণ আপনি একজন সুনাগরিক আপনি মাসে ১০ হাজার টাকা বেতন পেয়ে নিজেকে খুশি মনে করেন কখনো চুরি বা অন্যয় করেন না।সব সময় সত পথে চলেন

         Black Hat SEO কি? 

        black_hat_seo

         Black Hat SEO হলো Google এর রুলস না মেনে কিছু টেকনিক এর মাধ্যমে গুগোল এর ফাস্ট পেজ এ আসাকে বুজায়। সহজ ভাষায় Black Hat হলো মনে করেন আপনি একমাস কাজ করে ১০হাজার টাকা বেতন পান। মাসের শেষে বেতন তুলে বাসে করে বাড়ি যাচ্ছেন। বাসের ভিতরে একজন পকেটমার আপনার পকেটে কেটে একবারে ১০হাজার টাকা নিয়ে গেলো। এটাই হলো black hat এর কাজ। কথায় আছে অন্যায় পথে বেসি দিন টিকে থাকা যায় না সেদিন পকেট কাটতে গিয়ে ধরা পড়বে সেদিন পাবলিশ এর হাতে মৃত্যু ও হতে পারে।সেইম ভাবে যেদিন গুগোল ধরবে যে আপনি অন্যায় ভাবে কাজ করতেছেন সেদিন আপনার সাইট কে এমন জায়গায় নিয়ে আসবে সেখান থেকে হয়তো বা আপনি আর ব্যাক করে আগের জায়গায় কখনো আসতে পারবেন না। আশা করি black hat seo এর বিষয় বুজতে পেরেছেন।

        Grey Hat SEO কি?

        grey_hat_seo
         Grey hat হলো Google এর সব নিয়ম মেনে কাজ করে এবং মাজে মধ্যে google কে ফাকি ও দিয়ে থাকে। উদাহরণ Grey hat একজন খুবই সুপরিচিত ভালো মানুষ অনেক নাম ডাক তার।
        একদিন এক বাসের মধ্যে ভ্রমণ করছেন তার সাথে একজন অন্য যাত্রী আছে। সেই যাত্রী যখন বাস থেকে নামে সিটের মধ্যে তার মানিব্যাগ ফেলে চলে যায়।এবং Grey hat মানিব্যাগটি লোকটিকে ডেকে না দিয়ে নিজে নিয়ে নেন। কেউ দেখতে পেল না। এবং কেউ Grey hat কে চোর ও বলবে না কারন ওনি একজন সম্মানিয় ব্যাক্তি। এই হলো Grey hat Seo আশা করি বুজতে পেরেছেন ধন্যবাদ সবাইকে।

        Sunday, April 26, 2020

        নতুন cpa মার্কেটার প্রথমে যে ৩টি সাইট এ কাজ করবেন। Best Cpa Network for beainners,

        নতুন cpa মার্কেটার প্রথমে যে ৩টি সাইট এ কাজ করবেন। Best Cpa Network for beainners,

        নতুন cpa মার্কেটার প্রথমে যে ৩টি সাইট এ কাজ করবেন।


         হ্যালো বন্ধুরা আশা করি ভালো আছেন। আজ আলোচনা করবো নতুন cpa মার্কেটিং নিয়ে। নতুন cpa মার্কেটারা প্রথমে যে ৪টি সাইট এ কাজ করবেন এবং সহজে পেমেন্ট নিতে পারবেন। cpa অফার নিয়ে কাজ করতে প্রথমে নির্বাচন করতে হবে সাইট কোন সাইট থেকে অফার প্রমোট করবেন তা সিলেক্ট করতে হবে নতুন হিসাবে প্রথমে বড় কোনো সাইট এ আপনি aprof পাবেন না। তাই যেগুলো সাইট এ সহজে aprof পাওয়া যায় সেসব সাইট এ কাজ শুরু করবেন হবে সাইট নির্বাচন এর আগে সেই সাইট নিয়ে একটু ঘাটাঘাটি করা দরকার যেমন একাউন্ট instant aprof দেয় কি না। কি কি অফার আছে, কত ডলার এ পেমেন্ট করে কোন কোন মেথড এ পেমেন্ট দেয় কোন কোন অফার আছে ইত্যাদি। আপনি প্রথম যেহেতু কাজ করবেন সেই জন্য আপনাকে সিলেক্ট করতে হবে যে সাইট গুলো ২০/৫০ ডলার হলেই পেমেন্ট দেয়। কারন প্রথম পেমেন্ট পেলে আপনার ও ভালো লাগবে এবং কাজে আগ্রহ বাড়বে। তো চলুন জেনে নেই ৪টি সব চেয়ে ভালো cpa সাইট সম্পর্কে যেখানে আপনি প্রথম কাজ শুরু করতে পারেন।

        Cpagrip
         ৩. cpagrip এই ওয়েবসাইট এ একাউন্ট করা অনেক সহজ। একাউন্ট instant aprof হয়। এই ওয়েবসাইট এ আপনি Cpa offar content locker offar cpl offar পাবেন। মিনিমাম পেমেন্ট ৫০ ডলার পেমেন্ট নিতে পারবেন PayPal এবং Payoneer এর মাধ্যমে।

        AdscendMedia
         2. Adscendmedia এই ওয়েবসাইট এ একাউন্ট করা অনেক সহজ বাংলাদেশ কিংবা ভারত থেকে একাউন্ট করলে ১২/২৪ঘন্টায় aprof হয় কিছু কিছু country তে us কিংবা uk দেশ গুলোতে instant aprof হয়। এই ওয়েবসাইট এ content Locker offar, CPL offer, সহ আরো কয়েকটি অফার আছে। এই ওয়েবসাইট থেকে মিনিমাম ৫০ডলার হলে টাকা তুলতে পারবেন পেমেন্ট নিতে পারবেন PayPal: $50 ডলার Payoneer: $50.ডলার ACH: $100 ডলার।

        CPALead
         ১. cpaLead এই ওয়েবসাইটি অনেক পপুলার এই সাইট এ অনেক লোক কাজ করে। এই ওয়েবসাইট এর পপুলারটি হলো content Lacker offer সর্ব প্রথম এই ওয়েবসাইট তৈরি করে তারপর থেকে অন্যান্য সাইট গুলো content locker offar ব্যবহার করছে। cpaLead এ একাউন্ট করা অনেক সহজ। এবং সাথে সাথে aprof হয়। এই ওয়েবসাইট এ প্রচুর অফার আছে প্রায় 1 হাজার এর ও বেশি অফার আছে। পেমেন্ট মেথড Bitcoin, PayPal, Payoneer, Wire Transfer, মিনিমাম পেমেন্ট ৫০ডলার, তবে wire transfer এ ৫০ডলার পেমেন্ট নিতে পারবেন না।তো এই ছিল আজকের ৩টি ওয়েবসাইট কাজ করে দেখতে পারেন তো আজ এ পর্যন্ত আগামী পর্বে বিস্তারিত আলোচনা করবো ধন্যবাদ। 
        অল্প পুঁজিতে ৪টি অনলাইন ব্যবসার আইডিয়া মাসে আয় ১লক্ষ থেকে ৫ লাক্ষ টাকা।

        অল্প পুঁজিতে ৪টি অনলাইন ব্যবসার আইডিয়া মাসে আয় ১লক্ষ থেকে ৫ লাক্ষ টাকা।

        অল্প পুঁজিতে ৪টি অনলাইন ব্যবসার আইডিয়া মাসে আয় ১লক্ষ থেকে ৫ লাক্ষ টাকা।


         হ্যালো বন্ধুরা আশা করি সবাই ভালো আছেন। আজ আমরা আলোচনা করবো অল্প পুঁজিতে ৪টি অনলাইন ব্যবসা বা মার্কেটিং সমন্ধে। আমরা সবাই চাই আমাদের স্বপ্নের ক্যারিয়ার গড়তে। যে কাজে থাকবে টাকা এবং সমাজের মানুষ দেখবে সম্মান এর চোখে। তো চলুন জেনে নিন অল্প পুঁজিতে ৪টি স্মার্ট ব্যবসার আইডিয়া।

         ১. প্রথম আমি যে ব্যবসাটি বলবো সেটি হলো E-commerce Website. এখন প্রযুক্তি উন্নত হয়েছে এখন মানুষ সব কিছু অনলাইন এই কেনাকাটা করে থাকে। এই জন্য E-commerce ওয়েবসাইট তৈরি করে খুব সহজে আপনার প্রোডাক্ট বিক্রি করতে পারবেন। লাগবে না কোনো দোকান ভাড়া। একটি e-commerce ওয়েব সাইট তৈরি করতে বেশি টাকা লাগে না ১০/১২হাজার টাকা হলে একটি একটি e-commerce ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়। এখন অনলাইন e-commerce সাইট অনেক ভালো পর্যায় আছে তাই এই ব্যবসাটি মন্দ নয়। এই e-commerce ওয়েবসাইট থেকে আপনি মাসে ১লক্ষ থেকে ৫লক্ষ টাকা ইনকাম করতে পারবেন। তাই বলবো আপনি যদি অনলাইনে ব্যবসা করতে চান তাহলে বলবো e-commerce সাইট নিয়ে ভেবে দেখতে।

         ২. দুই নামবার এ বলবো ডোমেইন হোস্টিং এর ব্যবসা। একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে ডোমেইন এবং হোস্টিং লাগে আর এখন মার্কেট এ ওয়েবসাইট তৈরির চাহিদা অনেক। আপনি চাইলে অল্প টাকা দিয়ে এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। এই ব্যবসায় লাগবে ভালো প্রচারনা এবং ভালো সার্ভিস প্রোপাইড তাহলে অনেক ক্লাইন্ট পাওয়া যাবে এবং অনেক ইনকাম করা যাবে।

         ৩. তিন নাম্বার youtube ভিডিও মার্কেটিং। youtube একটি সম্পুর্ন ফ্রি ভিডিও শেয়ারিং প্লাটফর্ম। youtube এ আপনি ভিডিও আপলোড করে চ্যানেল মনিটাইজেশন করে মাসে ১থেকে ৫লক্ষ টাকা ইনকাম করতে পারবেন। তবে সব ভিডিও আপনার নিজের হতে হবে। youtube এ মনিটাইজেশন ছাড়াও বিভিন্ন কোম্পানির sponsor ads নিয়ে মাসে ১/৫ লক্ষ টাকা ইনকাম করতে পারবেন।তাই আপনি চাইলেই সম্পুর্ন ফ্রি তে youtub মার্কেটিং শুরু করতে পারবেন।

         ৪. চার নাম্বার bloggin আপনি ব্লগিং করে মাসে ১/৫লক্ষ টাকা ইনকাম করতে পারবেন। ব্লগিং করতে লাগবে লেখা লিখি করার পারদর্শীতা। ব্লগিং করতে বেশি টাকা লাগবে না সুধু ডোমেইন হোস্টিং এবং একটা পেইড থিম কিনে নিজেই ওয়েব সাইট বানাতে পারবেন কিভাবে বানাবেন তার জন্য youtube থেকে সাহায্য নিতে পারেন। আজ এ পর্যন্ত আগামী পর্বে বলবো এই ৪টি বিষয় বিস্তারিত জানানোর চেষ্টা করবো ধন্যবাদ। 

        Friday, April 24, 2020

        blogger এ Custom contact Form plaguin instoll করুন কোডিং ধারনা ছাড়া!

        blogger এ Custom contact Form plaguin instoll করুন কোডিং ধারনা ছাড়া!

        blogger এ Custom contact Form plaguin instoll করুন কোডিং ধারনা ছাড়া!


         হ্যালো বন্ধুরা আশা করি ভালো আছেন আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো কিভাবে আপনার blogger ওয়েবসাইট এ কাস্টমস contact form পেজ তৈরি করবেন। Contact form এর মাধ্যমে visitor খুব সহজে আপনার সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম হবে। চলুন জেনে নিই কিভাবে কাস্টম Contact form পেজ তৈরি করবেন।

         নিচের নিয়ম গুলো ভালোভাবে ফলো করুন। 

         ১. প্রথম আপনার blogger Dosbord >to>Layout>to>add Gadget এ ক্লিক করে Default যে contact form আছে সেটি blog Layout এ add করে নিন। 

         ২. Default যে contact form add করছেন সেটি hide করার জন্য আপনার blog Dasbord>to>themple >to Edit theme এ ক্লিক করুন।

         ৩. এবার ]]></b:skin>কোডটি সার্চ করে এর উপরে এই
        কোডটি পেস্ট করুন তাহলে Default contact form hide হবে।

         ৪.এবার custom form তৈরি করার জন্য নতুন একটি পেজ তৈরি করুন এবং পেজ Html version এ এই কোডটি পেস্ট করুন এবং save করুন কোড লিংক Click Now Code

        এতোটুকু কাজ করলেই হয়ে গেলো আপনার custom contact form তৈরি ধন্যবাদ সবাইকে।

        Friday, April 17, 2020

        ব্লগার ওয়েবসাইট এ সাইট ম্যাপ পেজ plugin instoll করুন সহজে।

        ব্লগার ওয়েবসাইট এ সাইট ম্যাপ পেজ plugin instoll করুন সহজে।

        ব্লগার ওয়েবসাইট এ সাইট ম্যাপ পেজ plugin instoll করুন সহজে।



           হ্যালো বন্ধুরা আশা করি ভালো আছেন, আজ আমি দেখিয়ে দিবো কিভাবে খুব সহজে আপনার blogger ওয়েবসাইট এ sitemap page plaguin instoll করবেন কোনো রকম কোডিং ধারনা ছাড়া। সব কোড আমি আপনাকে দিয়ে দিবো।

           sitemap page গুরুত্বপূর্ণ কেনো

           একটি ওয়েবসাইট এ সাইটম্যাপ পেজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেমন about us, privacy policy পেজ এর থেকে ও গুরুত্বপূর্ণ হলো সাইটম্যাপ পেজ। google নিজেই বলে দিয়েছে সাইটম্যাপ পেজ তৈরি করার জন্য। সাইটম্যাপ পেজ মানে হলো একটি পেজে আপনার সাইট এর সমস্ত কিছু থাকবে। এবং Seo এর ক্ষেত্রে sitemap page খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেমন বাংলাদেশ এর কোথায় কি আছে সব ছোট্ট একটি পেপার পেজ আকা থাকে এটা হলো বাংলাদেশের মানচিত্র এবং খুব সহজে মানচিত্র দেখে একজন লোক বুজতে পারে বাংলাদেশের কোথায় কোন স্থান বা বস্তুু আছে।তেমনি আপনার সাইট এ যদি একটি সাইটম্যাপ পেজ থাকে তাহলে google search Engine robots খুব সহজে বুজে যাবে আপনার সাইট এ কি কি আছে এবং তা search engine এ rank করিয়ে দিবে। তাই একটা সাইট এর জন্য সাইটম্যাপ পেজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তো চলুন জেনে নেই কিভাবে সাইট ম্যাপ পেজ তৈরি করবেন। 

          Bangla Seo Tutorial 

           Recommended Article পড়ুন।
            Bangla SEO Tutorial 

          Blogger sitemap page create step by step

           ১. প্রথমে আপনার blogger Dasbord থেকে theme edit option এ যান তারপর থিম edit এ ক্লিক করুন।

           ২. এই কোডটি সার্চ করুন
          সার্চ কোডর  ঠিক উপড়ে

          এই কোড পেস্ট করে সেভ করুন

          ৩. এবার blogger Dasbord/page/create পেজ এ ক্লিক করুন পেজের নাম দিন sitemap, তারপর আমার দেয়া ২য় কোড গুলো
          html ভার্সন এ পেস্ট করে সেভ করুন এবং পেজ পাবলিশ করে দিন


           তারপর পেজ ভিউ করে দেখুন আপনার sitemap page create হয়েছে ধন্যবাদ সবাইকে।      

          Tuesday, April 14, 2020

          খালি পেটে ২ কোয়া রসুন খান যেসব রোগ আপনার  হবে না। রসুনের উপকারীতা।

          খালি পেটে ২ কোয়া রসুন খান যেসব রোগ আপনার হবে না। রসুনের উপকারীতা।

          খালি পেটে ২ কোয়া রসুন খান যেসব রোগ  আপনার  হবে না। রসুনের উপকারীতা।


           রসুন এর প্রাকৃতিক গুনাগুন এবং উপকারীতা। রসুন আমরা সবাই চিনি কারন এটি আমরা দৈনন্দিন তরকারির সাথে খেয়ে থাকি। আপনি কি জানেন প্রতিদিন খালি পেটে মাত্র ২কোয়া রসুন আপনাকে কত গুলো রোগ থেকে রক্ষা করতে পারে। এই রসুন এ রয়েছে ৩০টির ও বেসি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। একজন সুস্থ্য মানুষ যদি প্রতিদিন খালি পেটে ২কোয়া রসুন খান তাহলে তার যে উপকার গুলো হবে তা উল্লেখ করা হলো।

             রসুনের উপকারীতা সমুহ


             প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে ২কোয়া কাঁচা রসুন খেলে শারীরিক সক্তি বৃদ্ধি পায় শরীরের শক্তি ক্ষমতা দীর্ঘ স্থায়ি হয় । যারা পড়ন্ত যৌবনে চলে গিয়েছেন, তারা প্রতিদিন দু’কোয়া রসুন খাঁটি গাওয়া ঘি-এ ভেজে মাখন মাখিয়ে খেতে পারেন। তবে খাওয়ার শেষে একটু গরম পানি বা দুধ খাওয়া আরো বেসি উপকারিতা। এতে তারাতারি ভাল ফল পাওয়া যাবে। যৌবন রক্ষার জন্য রসুন অন্যভাবেও খাওয়া যায়। কাঁচা আমলকির রসদুই বা এক চামচ নিয়ে তার সাথে এক বা দুই কোয়া রসুন বাটা খাওয়া যায়। এতে স্ত্রী-পুরুষ উভয়ের যৌবন দীর্ঘস্থায়ী হয়। 

            উচ্চ রক্তচাপ এ রসুনের উপকারীতা সমুহ

             উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রসুন বিশেষ ভুমিকা পালন করে। অসংখ্য মানুষ যারা উচ্চ রক্তচাপে ভুগেন। গবেষণায় দেখা গেছে, রসুন খাওয়ার ফলে উচ্চ রক্তচাপের কিছু উপসর্গ ভাল দেখা যায়।

            পরিপাকতন্তের ও গ্যাসটিক এ রসুনের উপকারীতা

             আপনার যদি পেটে পরিপাকতন্তের বা গ্যাসটিক সমস্যা থাকে তাহলে রসুন পারে সুস্থ করতে। খালি পেটে রসুন খাওয়ার ফলে যকৃত এবং মূত্রাশয় সঠিকভাবে নিজ নিজ কার্য সম্পাদন করে। এছাড়াও, এর ফলে পেটের বিভিন্ন সমস্যা দূর হয় যেমন- ডায়রিয়া। এই রসুন হজম ও ক্ষুধার উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে।তাই এই রসুন ক্ষুদামদা ভাব দূর করতে অনেক সহায়ক।রসুন স্ট্রেস দূর করতেও সক্ষম। স্ট্রেস বা চাপের কারনে আমাদের গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই, খালি পেটে রসুন খেলে এটি আমাদের অনেক উপকার করে।

            হজম শক্তি বৃদ্ধিতে রসুন এর উপকারীতা সমুহ

             হজম শক্তি বৃদ্ধিতে রসুন অনেক উপকারী। ২/৩ টি রসুনের কোয়া কুচি করে সামান্য ঘিয়ে ভেজে নিন। এটি সবজির সাথে কিংবা এমনি খাওয়ার অভ্যাস করুন। এতে করে হজমের নানা সমস্যা থেকে দূরে থাকবেন।এবং কোস্টকাঠিন্যের সমস্যা ও সমাধান হবে।

            ব্রণ দুর করতে রসুন এর উপকারীতা সমুহ


             . ব্রন সমস্যা দুর করতে রসুন অনেক উপকারী রসুনের মধ্যে অনেক গুন আছে।এটি ব্রনের সমস্যায় অনেক সহায়ক হিসেবে কাজ করে। অনেক সময় শরীরে আঁচিল হয়ে থাকে, এই রসুনের রস আচিলের ক্ষেত্রে উপকার করে।

            রক্ত পরিষ্কার রাখতে রসুন খাওয়ার উপকারীতা সমুহ

              রক্ত পরিষ্কার রাখতে প্রতিদিন ২কোয়া রসুন খাওয়া অনেক উপকারী কারন এই রসুন এ অনেক উপকারী গুনাগুন রয়েছে।

            ক্যানসার প্রতিরোধ এ রসুন খাওয়ার  উপকারীতা সমুহ

             ক্যানসার প্রতিরোধে রসুন অনেক উপকারী। রসুন কোলন ক্যানসার প্রতিরোধ করে থাকে। গলব্লাডার ক্যানসার হওয়া থেকে রক্ষা করে। মেয়েদের স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। এমনকি রেক্টাল ক্যানসারের হাত থেকে রক্ষা করে। রসুন প্রোস্টেট ক্যানসার প্রতিরোধে অনেক বড় ভূমিকা পালন করে। এই রসুন ইস্ট ইনফেকশন দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়া নিয়মিত রসুন সেবনে শরীরে সব ধরনের ক্যানসার প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি করে।  
            কিভাবে জিম শুরু করবেন। প্রথম দিকে যে বিষয় গুলো খেয়াল রাখতে হবে

            কিভাবে জিম শুরু করবেন। প্রথম দিকে যে বিষয় গুলো খেয়াল রাখতে হবে

            কিভাবে জিম শুরু করবেন। প্রথম দিকে যে বিষয় গুলো খেয়াল রাখতে হবে।



               শরীরকে সুস্থ্য রাখার জন্য  জিম করা প্রয়োজন। জিম হল ব্যায়াম। আর ব্যায়ামের প্রচুর উপকারিতা রয়েছে। একজন মানুষ যদি প্রতিদিন ব্যায়াম করে তাহলে তার শরীর মন ২টাই ভালো থাকে সাথে শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়ে পড়বে সাতে পেশিবহুল হবে। তবে তা হতে হবে সঠিক নিয়মে। অন্যথায় উপকার না হয়ে ক্ষতি হওয়ারও সম্ভাবনা ও থাকতে পারে। প্রথম জিমে ভর্তি হয়ে যে বিষয় গুলো ভালোভাবে জানতে হবে। জিমের যন্ত্রপাতির সঠিক ব্যবহার ও পাশাপাশি কিছু নিয়ম কানুন মেনে জিম করতে হবে। তবেই কেবলমাত্র এ থেকে সুফল আসবে। তাই মেনে চলুন

              জিম করার নিয়ম কানুন- 

               ১. জিমে ভর্তি হওয়ার আগে খোঁজ খবর নিয়ে ভেবে নিন কোন জিম সেন্টারে আপনি ভর্তি হতে পারবেন। আপনার বাসার কাছাকাছি কোন ভালো জিম সেন্টার থাকলে সেখানেই ভর্তি হতে পারেন এতে আপনার টাইম ম্যানেজমেন্টে ও যাতায়াতে সুবিধা হবে।

               ২. প্রথমেই জিমের ফিটনেস ট্রেনারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আপনি কি ধরনের ফিটনেস তৈরি করতে চান তা ট্রেনারের সাথে খোলাখুলি ভাবে আলোচনা করে নিন। জিম করার জন্য কতটা সময় আপনি বরাদ্দ রেখেছেন, কোন সময়টা আপনার জন্য উপযোগী, কোন শারীরিক অসুস্থতা আছে কিনা সেই সমস্ত বিষয় নিয়ে ফিটনেস এক্সপার্টের সঙ্গে কথা বলে আপনার ফিটনেস পরিকল্পনা তৈরি করুন।

               ৩. জিমে ভর্তি হওয়ার পর প্রথম কয়েক সপ্তাহ ফিটনেস এক্সপার্টের উপস্থিতিতে ফিটনেস ইকুইপমেন্ট গুলো ব্যবহার করুন। কোন ফিটনেস ইকুইপমেন্ট ব্যবহার করতে অসুবিধা হলে সেই ইকুইপমেন্টটি ব্যবহারের নিয়মকানুন সম্পর্কে ভালো করে জেনে নিন। প্রয়োজনে ফিটনেস এক্সপার্টের সাহায্য নিন।

               ৪. জিম করার সময় অবশ্যই জিমের উপযোগী পোশাক এবং ফিটনেস জুতা ব্যবহার করবেন। এছাড়াও অন্যান্য সুবিধার জন্য একটি ফিটনেস ব্যাগ সবসময় নিজের কাছে রাখতে পারেন। আর এতে তোয়ালে, পানির বোতল ইত্যাদি প্রয়োজনীয় জিনিস গুলো রাখতে পারেন।

               ৫. জিম করার প্রাথমিক পর্যায়ে প্রতিদিন ঘন্টা খানেক সময় জিম করুন এবং তা আস্তে আস্তে বাড়ান। প্রথম দিকে ২ থেকে ৩ ঘন্টা করে ব্যায়াম করলে শরীরের উপর চাপ পড়তে পারে।

               ৬. প্রথম মাসে জিম করার জন্য আধ ঘন্টা বরাদ্ধ রাখলে হাতে মোট ১ ঘন্টা সময় রাখুন। জিমের সময় সকাল বা বিকালে নির্বাচন করুন। সকালে বা বিকালে জিম করার জন্য প্রস্তুতি নিতে বেশ কিছু দিন সময় লাগবে। মনোযোগ দিয়ে জিমের যন্ত্রপাতির ব্যবহার শেখার চেষ্টা করুন। জিম শেষ করার পর অন্তত ১৫ মিনিট বিশ্রাম করুন।

               ৭. প্রাথমিক পর্যায়ে জিম থেকে ফিরেই কাজে বেরনোর জন্য তাড়াহুড়ো করবেন না। নিজের শরীরের জন্য উপযোগী পরিমান খাবার খেয়ে একটু রেস্ট নিয়ে অফিস কিংবা অন্য কোন কাজে বের হবেন। ঘরে এবং বাইরে অতিরিক্ত কাজের চাপ থাকলে সপ্তাহে ৩ দিন জিম করতে যেতে পারেন। বাকি দিন গুলো বাসাতেই ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ করতে পারেন।

               ৮. জিমে ভর্তি হওয়ার প্রাথমিক পর্যায়ে কিছুটা সময় ব্যয় করতেও অসুবিধা হতে পারে। কিন্তু জিমে ভর্তি হয়ে কখনোই হঠাৎ করে জিমে যাওয়া বন্ধ করবেন না। কয়েকমাস জিম করার পর অভ্যাস হয়ে গেলে ফিটনেসের জন্য প্রতিদিন কিছুটা সময় ব্যয় করতে কোন অসুবিধা হবে না।

               ৯.নিজের উপর আত্মাবিশ্বাস রাখুন এমন না যে জিমে যাওয়া শুরু করলেন আর বডি ফিটনেস হবে। নিয়মিন জিম করুন ধিরে ধিরে বডি ফিটনেস হতে শুরু করবে।

               ১০. পুষ্টি সম্মত খাবার খান যেসব খাবার এ পুষ্টি নেই সে সব খাবার এড়িয়ে চলুন। নিজের কোনো বদ অভ্যাস থাকলে তা এড়িয়ে চলুন সব সময় হাসিখুশি থাকুন কারন হাসিখুশি থাকাটাও শরীরকে ফিটনেস রাখতে সাহায্য করে।